1. admin@dailyrajbarinews.com : dailyrajbarinews :
  2. akmolbangladesh@gmail.com : Sheikh Faysal : Sheikh Faysal
November 27, 2022, 7:26 pm

এবার শহররক্ষা বেড়িবাঁধের পাশে পদ্মায় ৩০০ মিটার জুড়ে ভাঙন

  • সর্বশেষ আপডেট Saturday, October 2, 2021
  • 131 মোট ভিউ

শেখ ফয়সাল.

পদ্মায় আবারও ভাঙন দেখা দিয়েছে। গোদার বাজার এলাকায় শহরররক্ষা বেড়িবাঁধের পাশে ৩০০ মিটার এলাকা জুড়ে ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে করে গুরুতর ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে শহর রক্ষা বেড়িবাঁধ।

রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকেšশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ৮০ দশকের শেষ দিকে শহররক্ষা বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হয়। পদ্মার নদীর তীর স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ৩৭৬ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। প্রকল্পের আওতায় সাড়ে চার কিলোমিটার এলাকায় পদ্মা নদীর তীর প্রতিরক্ষামূলক কাজের ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬৭ কোটি টাকা। এছাড়া একই এলাকায় ড্রেজিং করা হবে। ড্রেজিংয়ে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩৫ কোটি টাকা। কাজের মূল ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড। কাজ বাস্তবায়ন করছে মেসার্স দুলাল ব্রাদার্স লিমিটেড (ডিবিএল)। কাজ সম্পন্ন করার মেয়াদ ছিল ২০২০ সালের ৩১ মে। কাজের মেয়াদ এক বছর বাড়ানো হয়। অপরদিকে গোদার বাজার এলাকায় দেড় কিলোমিটার এলাকা সংস্কার কাজ ২০১৯ সালে শুরু হয়। কাজ সম্পন্ন হয় চলতি বছরের ৩১ মে। ২৭ জুলাই থেকে এই এলাকায় ভাঙন শুরু হয়।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পানি বাড়ার সময় নদীতে ভাঙন ছিল। তখন বেশ কিছু এলাকা নদী গর্ভে চলে যায়। এখন পানি কমার সময় আবার নতুন করে ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙনের কারণে সপ্তাহখানেক আগে একটি সরকারি বিদ্যালয় পদ্মায় বিলীন হয়ে গেছে। আজকেও অনেক গাছপালা নদীতে চলে গেছে। সরকার শতকোটি টাকা নদী শাসনে ব্যয় করলেও তাতে দৃশ্যকোন কোনো উপকার হচ্ছে না নদীপাড়ের বাসিন্দাদের।

ভাঙনের শিকার পরিবারের সদস্যরা বলেন, আমাদের বসতবাড়ি পদ্মায় বিলীনের পথে। ইতিমধ্যে কয়েকটি ঘর পদ্মায় চলে গেছে। গাছপালাও কিছু বিলীন হয়ে গেছে। আমাদের বাইরে কোথায়ও জায়গা-জমি নেই। আমরা এখন কোথায় যাবো।
রাজবাড়ী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আবদুস সামাদ মজনু বলেন, এই এলাকায় আমার দীর্ঘ ১৭ বছরের পদচারণা। এখানে আরও কিছু দরিদ্র পরিবার আছে। তবে সরকার এই এলাকায় ভাঙনরোধের জন্য ৩৭৬ কোটি টাকা দিয়েছে। এসব টাকা কিভাবে খরচ হলো তা এখন ভাবার বিষয়। কারন নদী ভেঙে শহররক্ষা বেড়িবাঁধের কাছে চলে এসেছে। আর একটু ভাঙলেই শহররক্ষা বাঁধ ভেঙে যাবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবদুল আহাদ বলেন, আমরা নিয়ম অনুযায়ি কাজ সম্পন্ন করেছি। কাজের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম বা গাফলতি করা হয়নি। এই এলাকায় ভাঙনের কারণ বুঝতে পারলাম না। মরফোলজিক্যাল পরিবর্তনের কারণে ভাঙন হচ্ছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এই এলাকাটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে আছে। জিও ব্যাগ ও টিউবব্যাগ ফেলে ভাঙনরোধ করা হচ্ছে।

আপনার পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন
© All rights reserved © 2021 | Daily Rajbari News
Theme Customized By Uttoron Host